কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে

কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে আপনি জানেন কি? স্বাস্থ্যের উন্নতিতে শাক খাওয়ার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। আজকের এই পোস্টে তাই কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এ বিষয়টি চমৎকারভাবে উপস্থাপন করব। অতএব, কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে তা জেনে নেওয়ার জন্য পোস্টটি অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন।
কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে
প্রাকৃতিক খাবার গুলোর ভেতরে শাক আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল থাকায় এটি দেহ গঠনে দারুন ভূমিকা রাখে। যারা শাকসবজি বেশি খায় তাদের দেহে সহজে রোগ জীবাণু আক্রমণ করতে পারে না। আজকের এই আর্টিকেল থেকে তাই আপনারা কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে সেটি জেনে নেওয়ার পাশাপাশি কোন শাক খেলে দেহে কি কি ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় সে সম্পর্কে দরকারি তথ্যগুলো জেনে নিতে পারবেন। সুতরাং দেরি না করে এখনি সম্পূর্ণ পোস্টটি একবার পড়ে ফেলুন। 

পোস্ট সূচিপত্র - কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে জানুন

শাক সবজিতে কি থাকে?

শাকসবজির গুনাগুনের কথা কমবেশি সকলেই অবগত। কিন্তু শাকসবজিতে আমাদের দেহের জন্য উপযোগী কি কি উপাদান থাকে তা আমরা কজনই বা জানি! শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন এবং কপার রয়েছে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে শাকসবজির অবদান সর্বাধিক। সে কারণে ডাক্তাররা সব প্রায়ই রোগীদের বেশি বেশি শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য তাই আমাদের প্রত্যেকদিনের ডায়েটে শাক-সবজি অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী। শাকসবজি থাকার সকল উপাদানই আমাদের দেহ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পোস্টে পরবর্তী অংশে আমরা কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। 

কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে

নিজের স্মৃতিশক্তিকে বৃদ্ধি করার জন্য অনেকেই বিভিন্ন ঔষধ সেবন করে থাকেন। কিন্তু শাক-সবজিতে এমন সব কার্যকরী উপাদান রয়েছে, যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে চলুন কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে সে তথ্যটি এবার জেনে ফেলি। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে পালং শাক বেশ উপযোগী একটি খাবার। এই শাক মস্তিষ্কে বয়সের প্রভাব এবং স্মৃতি ভ্রমের যাবতীয় সমস্যা কমাতে অবদান রাখে। পালং শাকে থাকে ভিটামিন 'ই' যা মস্তিষ্ককে উদ্দিপ্ত করে সকল স্মৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে। 
তাছাড়াও পালং শাকে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম ব্রেনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য এক অনন্য উপাদান।স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখে ক্যালে শাক। এটি একজন ব্যক্তির স্নায়বিক স্বার্থের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি খাবার। ক্যালে শাকে আমাদের মস্তিষ্কের জন্য উপযোগী বিটা ক্যারোটিন ও এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ নানা উপাদান রয়েছে। তাই নিয়মিত ক্যালে শাক খেলে এটি আমাদের স্মৃতিশক্তির বিকাশ ঘটায়। এছাড়াও ব্রকলি, কাজুবাদাম, আপেল আমাদের স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে। সুতরাং আপনারা কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে তা এই অংশটি থেকে জেনে নিলেন।

কোন শাকে ফাইবার বেশি

এই পোস্টের পূর্ববর্তী অংশে ইতোমধ্যে আপনারা কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। এবার যে সকল শাকে ফাইবার বেশি রয়েছে সেসব শাকের নাম আপনাদের জানিয়ে দিব। ফাইবার সমৃদ্ধ শাক ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য অনেক উপকারী। নিয়মিত এর শাক খেলে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চলুন কোন কোন শাকে ফাইবার বেশি তা এবার জেনে ফেলি।

  • কচু শাক 
  • মুলা শাক
  • লাউ শাক 
  • ডাঁটা শাক 
  • পুদিনা পাতা 
  • কলমি শাক 
  • কুমড়ো শাক 
  • পুঁই শাক 
  • পালং শাক ইত্যাদি। 
এর সকল শাক আমাদের হজম প্রক্রিয়ার ত্বরান্বিত করে, দেহের ভেতর সুগারের মাত্রাকে স্থিতিশীল রাখে। হৃদরোগ ও ক্যান্সারের মতো কঠিন ব্যাধি প্রতিরোধে ফাইবার সমৃদ্ধ শাক নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য আঁশ বা ফাইবার জাতীয় শাক খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনারা যদি কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এই তথ্যটি পুনরায় জেনে নিতে চান তবে পোস্ট এর পূর্ববর্তী অংশ পুনরায় পড়তে পারেন। 

কোন শাকে ভিটামিন বেশি

ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাক অন্যতম। আমাদের শরীরে একদম প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিন সাপ্লাই দেওয়ার জন্য শাক খাওয়ার বিকল্প নেই। আপনারা ইতোমধ্যে কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, সেই তথ্যটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এবার জেনে নিন কোন শাকে ভিটামিন বেশি পরিমাণে থাকে। 
পালং শাক: পালং শাকে অধিক পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, ই, সি এবং আয়রন রয়েছে। এ শাক নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হওয়ার পাশাপাশি রক্তে আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও পালং শাকের দারুন ভূমিকা রয়েছে। কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে সে সম্পর্কে আপনারা এই পোস্টের পূর্বের অংশে ধারণা পেয়েছেন।
লাল শাক: লাল শাকে অ্যামিনো এসিড, ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম উপস্থিত আছে। লাল শাকের এ সকল উপাদান রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে। আপনারা সকলেই জানেন হিমোগ্লোবিন রক্তকে লাল করার জন্য দায়ী। ক্যান্সার প্রতিরোধের প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে লাল শাকে থাকা উপাদানগুলো ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
পুঁইশাক: ভিটামিন সি আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। আর পুঁইশাকে আপনি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পেয়ে যাবেন। এছাড়াও পুঁইশাকের অধিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, আয়রন রয়েছে যেগুলো শারীরিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
শর্ষে শাক: শর্ষে শাকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় আমিষ ও স্নেহজাতীয় ভিটামিন রয়েছে। নিয়মিত এইসব খাওয়ার ফলে দেহে উপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। দেহের জন্য উপযোগী ভিটামিন ডি তৈরিতে সর্ষের শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, এই তথ্যটি জানবার জন্য পোস্টটি শুরু থেকে পুনরায় পড়ে নিতে পারেন।

কোন শাকে এলার্জি আছে

কোন শাকে এলার্জি আছে তা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। একেকজনের একেক শাক খেলে এলার্জি সৃষ্টি হতে পারে। তাই শাক খেয়ে না দেখা পর্যন্ত বোঝা যাবে না যে কোন ব্যক্তির সেই শাকে এলার্জি আছে কিনা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কচু শাক, লাল শাক, কলমি শাক, পালং শাক ইত্যাদিতে এলার্জি সৃষ্টি হওয়ার প্রবণতা বেশি। যাদের এলার্জির সমস্যা রয়েছে তারা এ সকল শাক থেকে দূরে থাকতে পারেন। যে সকল শাক এলার্জি সৃষ্টি করবে না সেসব শাক বেশি পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে তা জানার জন্য পোস্টটি আবারও শুরু থেকে পড়ে নিন।

কোন শাক খেলে ওজন কমে

কোন শাক খেলে ওজন কমে যেতে পারে এ ব্যাপারটি অনেকেই জানেন না। শীতের দিনে গ্রাম অঞ্চলে মাঠের পর মাঠ জুড়ে সরিষা ক্ষেত দেখা যায়। তাই মৌসুমী শাক হিসেবে শীতের সময়ে গ্রামের মানুষদের একটি বড় অংশ সরিষা শাক খেয়ে থাকেন। সরিষা শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ফাইবার রয়েছে। এ উপাদানগুলো শরীরের ওজন কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক। তাছাড়াও বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর পালং শাকও ওজন কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এ তথ্যটি যদি এখনো না জেনে থাকেন তবে পোস্টটি শুরু থেকে পড়ে নিতে পারেন।

কোন শাক খেলে চুল ঘন হয়

চুলের বৃদ্ধির জন্য উপকারী শাক হলো পালং শাক। কেননা পালংশাকে অধিক পরিমাণে ভিটামিন এ, ই, সি ও প্রোটিন রয়েছে। এসকল ভিটামিন চুলের স্ক্যাল্পে তৈল উৎপাদন করতে পারে, যা চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। তাছাড়াও চুলের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য দায়ী ক্যালসিয়াম, আয়রন এই দুটি উপাদানও পালংশাকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রয়েছে। যাদের চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে ডাক্তাররা তাদের নিয়মিত পালংশাক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। চুলকে আকর্ষণীয় করতে ও চুলের স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নতিতে পালংশাকে অবস্থিত সকল উপাদানই দারুণভাবে কার্যকরী। কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এই তথ্যটি জানার জন্য পোস্টের শুরুর দিকটি খেয়াল করুন।

শেষ বক্তব্য 

প্রিয় পাঠক, আপনারা যদি শেষ পর্যন্ত পোস্টটি পড়ে থাকেন তবে কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে সে সম্পর্কে পুরোপুরি ভাবে অবগত হয়েছেন। একই সাথে কোন শাকের কি কি গুণাগুণ রয়েছে তাও আপনাদের সামনে এখন ক্লেয়ার হয়েছে। আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন শাক কতটা দরকারী তা আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে এই আর্টিকেলে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি পোস্টে উল্লেখিত তথ্যগুলো আপনার অবশ্যই উপকারে আসবে। পোস্টটি পড়ে কেমন লাগলো তা নিচের কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। 
শাক-সবজির উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য নিয়ামত। রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য তাই প্রত্যেকদিনের খাবারে শাকসবজি রাখা অপরিহার্য। অন্যদের যদি কোন শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এ বিষয়টি জানাতে চান তবে এখনই এ পোস্টটি তাদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। স্বাস্থ্য সচেতনামূলক নিত্যনতুন আরও বিভিন্ন আপডেটেড আর্টিকেল পড়তে চাইলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। এতক্ষণ ধরে এই পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

FAQs (স্মৃতি শক্তি বাড়ানো বিষয়ক কিছু প্রশ্নোত্তর)

প্রশ্ন: কি শাক খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে?
উত্তর: আমাদের অতি পরিচিত পালংশাকে অত্যধিক পরিমানে বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ উপস্থিত থাকে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তাছাড়াও তরমুজ, বাঁধাকপি, গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকায় তা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন: মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে ভালো সবজি কোনটি?
উত্তর: পালংশাক, ব্রকোলি এবং কলার্ডস ভিটামিন কে, লুটেইম ও বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর। এগুলো খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।

প্রশ্ন: ফুলকপি কি মস্তিষ্কের জন্য ভালো?
উত্তর: ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে কোলিন থাকে, এই উপাদানটি আমাদের মেজাজ ও স্মরন শক্তি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ফুলকপিতে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য অপরিহার্য। 

প্রশ্ন: আমাদের মস্তিষ্কের ওজন কত?
উত্তর: আমাদের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১৩০০-১৪০০ গ্রাম। প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মোট শারীরিক ওজনের ২% মস্তিষ্কের ওজন হয়ে থাকে। শিশুদের ক্ষেত্রে তা ৩৫০-৪০০ গ্রাম হয়ে থাকে।

প্রশ্ন: কোন বাদাম খেলে মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে?
উত্তর: কাজুবাদাম, চীনাবাদাম, পেস্তাবাদাম ও মাকাডানিয়াস আমাদের স্মৃতিশক্তি উন্নত করে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

প্রশ্ন: কোন ফল খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে? 
উত্তর: বেরী ফল, আপেল, কমলালেবু, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি খেলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ঠিক থাকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
এই পোস্টে কমেন্ট করতে এখানে ক্লিক করুন

অনির্বাণ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url